Posts

Showing posts from March, 2019
আমি খুবই সাধারণ। কোনো ভালো কিছু আমার মধ্যে আছে নাকি আমি জানিনা। একা থাকতে পছন্দ করি। একটু বেশিই একা থাকতে ভালোবাসি। খুব ছোট্ট পৃথিবী আমার, খুব কম কাছের মানুষ। খুব কম মানুষের সাথেই কথা বলি। আমি শুধু তাদের সাথেই কথা বলি যাদের সাথে আমার বলতে ইচ্ছে হয়। আর তাদের সাথে অনেক বেশি কথা বলি। তো প্লিজ কথা না বলতে চাইলে কেও বার বার বিরক্ত করবেন না। এইটুকুই। টিং টিং টিটিং। 🙂
একদা স্বপ্ন ছিলো ডাক্তার হবো রোগীর হাত ধরে শুনবো তার প্রাণঘাতী বেদনার কথা; মানুষের বিষাদ ও বেদনার চেয়ে অনুপম ফুল জগতে আর নেই কিন্তু ডাক্তার হবার স্বপ্ন আমার পূরণ হয়নি। এখন মাঝে মাঝে নিজেই ডাক্তারখানায় যাই ব্যস্ত ডাক্তারের চোখে ডাকাতের প্রতিচ্ছবি দেখে ফিরে আসি আলসারের ব্যথা নিয়ে। ছোটবেলায় অনেকদূরের গ্রাম থেকে এক বুড়োলোক আসতেন সওদা নিয়ে তার ঝুড়িতে থাকতো নানারকম খাবার তখন আমার ইচ্ছে হতো সেই লোকের পিছুপিছু চলে যাই অজানা কোনো গাঁয়ে যেখানে আকাশ নেমে গেছে মাটিতে যেখানে আমার নাম জানে না কেউ সে স্বপ্নও পূরণ হয়নি; দেখা হয়নি অচেনা জলের ঢেউ! টিভিতে গান শুনলে মনে হতো আমিও গায়ক হবো, প্রাণখুলে গাইবো মানুষের মনের কথা; আবার অনেকদিন সিনেমা দেখে প্রতিবাদী নায়ক হতেও ইচ্ছে করেছে। মনে হয়েছে শহরে গিয়ে হবো বস্তির সর্দার! সে স্বপ্নও পূরণ হয়নি; চেয়েছিলাম ছোট্ট একটা দোকান দেব, পান-বিড়ি-জর্দার! দোকান ভর্তি খেলনাও থাকবে। ছোটবেলায় একটা টমটম গাড়ির জন্য কত কেঁদেছি! একটু একটু বড় হতে স্বপ্নেরা বদলে গেছে বাঁকে বাঁকে পথ হয়েছে বিভাজন বদলে গেছে স্বপ্নের ধরণ ও স্বপ্ন দেখার মন! বারবার হয়েছে ...
আমার বৃষ্টি ভেজা        তোমার বৃষ্টি দেখা। আমার পাহাড়              তোমার সমুদ্র। আমার কবিতা             তোমার গল্প। আমার আইনস্টাইন     তোমার ডারউইন। আমার Integration    তোমার checkerboard আমার রসোগল্লা         তোমার পিৎজা। আমার কলেজ স্কয়ার  তোমার শপিং মল। আমার একসাথে         তোমার একলা। আমার খোঁজ নেওয়া   তোমার অপ্রয়োজন। আমার চুপচাপ            তোমার বকবক। আমার স্বর্ণযুগের গান  তোমার Ed Sheeran আমার মনে রাখা         তোমার ভুলে যাওয়া। আমার তোমার লেখা  তোমার আমার করা সুর। আমার তোমার গলা   তোমার আমার গাওয়া গান।                                                              ...
Life -এ এমন একজন সঙ্গী চাই যার সঙ্গে intellectual, emotional এবং conjugal compatibiltiy থাকবে.. মানে যে ফেলুদাও জানবেন নেরুদাও জানবেন আবার দেরিদাও জানবেন 😉😃
আমার সত্যি একটা 'দেশ' চাই, যেখানে বসে থাকবার জন্য একটা সুন্দর নদী থাকবে, মসজিদ আর মন্দিরগুলো অবস্থান করবে এক ছাদের তলায়। যেখানে কোরান পড়লেই, গীতা, বাইবেল পড়া হয়ে যাবে। যেখানে চুমুর শব্দ- আজান কিংবা মন্ত্রপাঠের মতো..😊 আমার সত‍্যি এমনই একটা দেশ চাই, যেখানে 'দেশ' বলে কোনো শব্দ থাকবে না।...🤔
কাউকে সম্মান দিলে সম্মান বাড়ে। অসম্মান করলে সম্মান কমে। তবে অযোগ্যকে সম্মান দিলে- সম্মান-অসম্মান দুটো শব্দই অভিমান করে। শব্দেরও মন আছে, যেমন গাছের প্রাণ আছে...☺️
টাকা নেই, ফাঁকা হাত মনভর্তি সপ্ন আমাকে ছোঁয় না তাই জাগতিক অভাব..☺️
🌹একতরফা প্রেম হচ্ছে জগতের শুদ্ধতম অনুভূতিগুলোর মধ্যে একটা। কোন কমিটমেন্ট নেই ,কোন দায়বদ্ধতা নেই। চাওয়া পাওয়ার প্রশ্নই আসেনা একতরফা ভালোবাসার। এই ভালোবাসায় একজন ছেলে থাকে একজন মেয়ে থাকে। কিন্তু ভালোবাসা-বাসিটা একজন থেকেই আসে। তার ভালোবাসার রাজ্যে সেই রাজা কিংবা রাণী। একতরফা প্রেম কে অনেকে ইনকমপ্লিট ভালোবাসা বলে।উহু মোটেই না। দিস ইজ দা মোস্ট কমপ্লিট লাভ এভার। কোন পাপবোধ নেই , কোনো চাহিদা নেই। শুধুই ভালোবাসা থাকে। একতরফা প্রেম মানে সকালে ঘুম থেকে উঠে রাতে ঘুমোনোর আগ পর্যন্ত তার নামটা কৃষ্ণনামের মতো জপে যাওয়া...☺️ উত্তরের অপেক্ষায় না থাকা।  একতরফা প্রেম মানে সে আমাকে ভালোবাসে কিনা, তার থোড়াই কেয়ার করা। সে আমাকে ভালোবাসে কিনা এই শর্তে তো আমি তাকে ভালোবাসিনি। বেঁচে থাকুক একতরফা প্রেমের প্রেমিকরা। সারাটা জীবন ধরে বেঁচে থাকুক একতরফা ভালোবাসার প্রেমিকরা ❤️🌹                                                       শারুখ 😎
Image
সত্যিই এদের চাহিদা খুবই সীমিত....😔
এক শিক্ষিত বাঙালির মনের কথা -🤔 একটু লেখাপড়া শিখেছি , আর ছোট খাটো ব্যবসা করা যায় না। ছ্যা লোকে কি বলবে...? এর থেকে Boss -এর খিস্তি খাওয়া অনেক ভালো। কতো বড় কম্পানির অফিসার বলে কথা, তাছাড়া চাকরি করলে কে না দু- চার কথা শোনে, ওসব কানে না নিলেই হলো। আর বললে তো হবে না, ওই বা কি করে ওর বাবার কাছে আমার পরিচয় দেবে? ওদের বাড়ির সব সরকারি কর্মচারী, দু-একজন আছে বেসরকারি তাও MNC তে। সেখানে আমি যদি....... যাক ওসব কথা বাদ দে Zomato -এসে গেছে চ দুটো বার্গার অর্ডার করে জম্পেশ করে একটা সেল্ফি তুলি...😉
হাবিজাবি ভাবনারা...🤔 মাঝে মাঝে আকাশেরও মনকেমন হয়, ঠিক তখন আকাশটাও কেঁদে ওঠে অব্যক্ত শোকে। তোমরা সবাই যাকে বৃষ্টি বলে ডাকো, সে আসলে ব্যথার সাক্ষী ওই আকাশের চোখে।....
একটা অসমাপ্ত প্রেমের উপন্যাস...🌷 তোমাকে দেখে আমার এই একুশ বছরের জং ধরা বুকে কবিতার জন্ম হয়, কেমন একটা প্রেম প্রেম ভাব। আমি জানি লোকে পাগলামি বলবে, বলবে ছেলেটার চরিত্রের দোষ। কিন্তু কি করি মনের উপর জোর করার ক্ষমতা নেই, আর তাই তোমাকে দেখলেই এক বুক কবিতার জন্ম হয় অকারনে। তোমাকে দেখলেই আমার মাথার ভিতরে তুমি তুমি চিন্তা, ঘুমের ঘোরে তোমার শরীরের বাঁক... হৃদয়ের মাঠে ছুটে চলা এলোমেলো আমি, আর তুমি শাড়ির ভাঁজে প্রেম লুকিয়ে রাখা প্রিয় নারী চরিত্র। তোমাকে দেখলেই তাই মনকেমন মনকেমন, তোমাকে দেখলেই সবকিছু ভুলে যাওয়া, আবার কখনও তোমার জন্যই স্ফীত পেট লুকিয়ে রাখার অদম্য প্রয়াস। তুমি সামনে এলে সবজান্তা আমি কেমন বোবা বনে যাই, কথা গুলো আটকে যায় ঠোঁটের দেওয়াল ঘেষে। মনে হয় উপলব্ধির পরতে পরতে অসংখ্য ফড়িং শব্দ করে উড়ে যায়, আমি হাতড়ে বেড়াই তোমার চকচকে হাত। ধরতে পারিনা তবু ধরার ইচ্ছে বুকে রেখে বাথরুমে গাই বেসুরো রবীন্দ্রসঙ্গীত, সুর ঠিক নেই, কথা ঠিক নেই, তাল ঠিক নেই  তবু বুকের সেতারে প্রেমের আঠা চিপকে লেগে থাকে। কলেজ যাবার পথে তুমি যখন আমাকে একবার তাকিয়ে দেখো উফফফ মনে হয় এই বোধহয় ...
রাত্রির ভাবনারা...😞 ✍️ শারুখ আহমেদ সারাদিন  কর্ম ব্যাস্ততা শেষে শত চিন্তা মাথায় ভর করে এসে ঘুমাতে যাই যখন জানিনা কেন রোজ মনে হয় এমন- রাতের বারোঘন্টা কেটে যাচ্ছে আসবে নতুন ভোর। পাখিরা ঘুম ভাঙ্গাবে ডেকে উঠবে পাড়া গায়ের পালিত মোরগ। প্রতিরাতে চিন্তা করে দিন মুজুর রাত পোহালেই যোগাতে হবে ছেলেমেয়েদের খাদ্য। হয়তো চিন্তা করে বড় ভাই রাত পোহালে ছোট ভাইয়ের পরিক্ষার ফিস দিতে হবে তাও লাস্ট ডেট।  একজন বাবা চিন্তা করে আমার ছেলে মেয়েদের মানুষ করতে পারবোতো? একটা রুটি ভাগ করে নিজে না খেয়ে ঘুমিয়ে থাকে কোন হত দরিদ্র মা, কেও দেখে না দুচোখের নিচে কত জল আছে জমা।  আবার কারো রাত কাটে আনন্দে। কোন নবীন প্রেমিক স্বপ্ন দেখে ঘুমিয়েছে সে তার প্রেয়সীর কোলে মাথা রেখে। কারো রাত মোবাইলের কিপেইড টিপতে টিপতে চলে যায়। কেউ আত্ম হত্যা করে যখন জীবনের কাছে ধোকা খায়। ঋণ গ্রহীতা চিন্তা করে যদি পাওনাধার ছুটে আসে খুললে দার। কবিরা জেগে থাকে শব্দের খোজে যখন নগরীর সব প্রাণী দু চোখ বোঝে। একটা রাত নিয়ে আসে অসংখ্য ভাবনা শুধু নয় অন্ধকার।
একটি ভোরের গল্প...🌄 ✍️ শারুখ আহমেদ। আর কিছুক্ষণ পরেই রাস্তার উপরের সোডিয়াম লাইট গুলো নিভিয়ে দেওয়া হবে। নিভিয়ে দেওয়ার কারন হচ্ছে আর একটু পরেই অদ্ভুত সুন্দর অথবা ভয়ংকর রাত শেষ করে একটি সকালের শুরু হবে.... পাখি গুলি খুব শব্দ করে ডেকে যাচ্ছে ,শব্দ গুলো যথেষ্ট ভাল শুনতে। দূরের মসজিদ থেকে আযান ভেসে আসছে, কিছু মানুষ তো আযান কেই এর্লাম হিসেবে কাজে লাগিয়ে উঠে পড়ে। লোকাল বাস গুলি খুব দ্রুত প্রস্তুতি নিচ্ছে তার সার্ভিস দেওয়ার জন্য। বাস স্টপেজের এর সামনে কয়েকটি ভ্যান রিক্সা ও দেখা যাচ্ছে। ভ্যান রিক্সা চালকেরা তাদের নিজ নিজ রিক্সাতেই বসে আছে কোন এক ক্লান্ত যাত্রির অপেক্ষাই। চায়ের দোকান গুলো তে জল গরম করা হয়ে গেছে। হয়তো আর কিছুক্ষন পরেই তার দোকানের নিয়মিত খদ্দের গুলো পেপার পড়তে বা কয়েকজন মিলে দেশের অবস্থা নিয়ে বিতর্ক করতে চলে আসবে বরাবরের মতোই। কিছুলোক কে দৌড়াতে দেখা যাচ্ছে, ডায়াবেটিস কমাতে বা শরীর সুস্থ রাখার জন্য। সিটি কর্পোরেশন এর কমলা জামা পরা শহর পরিস্কার এর জন্য নিযুক্ত লোক গুলোও তাদের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। পতিতালয় থেকে রাত জাগা পতিতাও তার মুছে যাওয়া কাজল আর সরে যাও...
আচ্ছা, বেশ কয়েকদিন ধরেই একটা বিষয় মাথায় নাড়াচাড়া দিচ্ছে। পত্রিকার পাতায় দেখলাম ভারতের বর্তমান মাথাপিছু আয় প্রায়ই 1,977.29 ডলার। প্রশ্ন হলো বর্তমানে ভারতের 31 মিলিয়ন শিক্ষিত বেকার রয়েছে। জানা প্রয়োজন এই 31 মিলিয়ন বেকারের গড় মাথাপিছু আয় 1,977.29 ডলার কার পকেটে যায়!?? দেশ উন্নয়নশীল হচ্ছে কিন্তু বেকার রা ব্রেক মারা গাড়ীর মতো একই জায়গায় স্থির রয়েছে। সত্যিই কি তাদের চলাচল গতিশীল হবে না??? বেকারের উপাধি কাঁধে নিয়ে আর কতো কাল বইবে???
রাত আমার কাছে বড্ড প্রিয় একটি সময়। রাতের নিজস্ব কোন রঙ না থাকলেও এসময় চারপাশে কালো অন্ধকার এ ঢেকে যায়, ফলে রাতের রঙ কালোই বলা যায়। মজার ব্যাপার হচ্ছে যানি না এই কালো রঙটাও আমার ভীষন পছন্দের। পৃথিবীতে এত রঙ থাকতে এই মৃত রঙ টাকেই কেনো ভালোলাগে আমার? সেদিন রাতে হঠাৎ খুব ইচ্ছে হলো তেমাকে নিয়ে কল্পনার রাজ্য ঘুরে আসতে... কি অদ্ভুত ! সেখানেও তুমি কালো শাড়ি পরে এসেছ...😃 আচ্ছা আমি কি তোমায় কখনো বলেছি - যে কালো রঙ টা আমার খুব প্রিয়? কোই আমার তো মনে পরছে না...🤔 তবে কি আমার মতো তোমারো এই রঙ টাই ভালোলাগে? বেশ হতো যদি সেটাই হতো.. সময় করে একদিন তোমার কাছ থেকে তা জেনে নেব ভেবে রেখেছি। শোনো, কখনো যদি হুট করে আবদার করে বসি যে তোমাকে কালো শাড়ি, হাত ভর্তি কালো রেশমি চুড়ি, কপালে কালো টিপ আর খোলা চুলে খুব দেখতে ইচ্ছে হচ্ছে.. তবে কি তুমি ভ্রু কুঁচকে এড়িয়ে যাবে ? নাকি ঠোঁটের কোনে হাঁসি দিয়ে বলবে যে আচ্ছা ঠিক আছে.. ভালোবাসার চাওয়া গুলো হতে পারে অতি ক্ষুদ্রতম, তবে এই সামান্যতম পাওয়া টাই হতে পারে প্রাপ্তির খাতায় অনেক বড় ☺
চায়ের কাপে শেষ চুমুক আর সিগারেটে শেষ টান দেওয়া প্রতিটা ছেলেই একদিন বড় হয়। একসময় রাত জেগে গানের আসর দেওয়া,বন্ধুদের সাথে রাতের বেলা ডাব চুরি করে খাওয়া,কোচিং এ মেয়েদের জ্বালানো ছেলেটাও একদিন বড় হয়। বাবার পকেট থেকে টাকা চুরি করে সাইবার ক্যাফে গিয়ে ১ ঘন্টা ইন্টারনেট করা, কিছু কিছু করে টাকা জমিয়ে একদিন বন্ধু দের সঙ্গে ঘুরতে যাওয়া, টিউশনির টাকা না দিয়ে প্রেমিকাকে নিয়ে ঘুরতে যাওয়া, বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিয়ে রাত করে ঘরে ফেরা ছেলেগুলোই একদিন অনেক বড় হয়। বার্সেলোনা নাকি রিয়াল মাদ্রিদ, ভারত নাকি পাকিস্তান খেলায় এই সমীকরণ মিলাতে গিয়ে প্রতিটা ছেলেই থ্রি কোয়াটার প্যান্ট ছেড়ে ফরমাল ড্রেস পড়া শুরু করে... কাঁধে ব্যাগ ঝুলিয়ে স্কুল কলেজ পার করা ছেলেটা একদিন ইউনিভার্সিটি তে ওঠে। ব্যাগে বই এর সংখ্যা কমে ঠিকই কিন্তু বাড়ে মানসিক চাপ। শুধু একটা খাতা আর কলম নিয়ে কলেজ লাইফ পার করা ছেলেগুলোই একদিন চাকরির জন্য বাজারে নামে। সেই বাজারে কে বন্ধু, কে কাজিন, কে পাড়ার বড় দাদা, আর কে ছোট ভাই... কেউ কাউকে চেনে না। শার্টের কলারের ঘাম আর পেটের ভুড়ির কোন হিসাব থাকে না তখন...দ্বায়িত্ব নামক শব্দটার পিছনেই তখন সময় ...
অহংকারে পুড়ল হৃদয়, ভাঙল পোড়া বুক। সেখানে মলম লাগাতে হবে, যেখানে মনুষ্যত্বের অসুখ...🙂
বড্ড বাজে একটা ছেলে, তবুও আমি আমার মতন। যখন নিঃস্ব আমার হৃদয় আমায় ভালোবাসতে বারণ। হৃদস্পন্দন যখন ঘড়ির কাঁটা সময় কেমন এলোমেলো-গতিহীন মন কে যতই স্বাধীন রাখি - সে তো তবুও আজও পরাধীন...🙂
প্যারাসিটামল এ সবসময় কি আর অসুখ সারে..? কিছু সময় একটি মায়ামাখা হাত কপাল ছুঁয়ে দিলেও অসুখ সব "সুখ" হয়ে যায়...😉😀
আমাকে পড়তে আসিস না আমি পদার্থ, রসায়ন এমনকি উচ্চতর গণিতের চাইতে কঠিন বিষয়। ভুল করে আমাকে শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের- ব্যোমকেশ বক্সী মনে করে পড়ার আগ্রহ মনে জন্মাস না। আমি এতো সহজ কোন বই না। আমি পুতুলের মতো নাচতে পারি আবার নাচাতে ও পারি। ভুল করে সঠিক মানুষকে ভুলের বোঝা চাপাতে যাস না। আমি ভুলের উর্ধে না, কিন্তু ভুল সব সময় আমার প্রিয়জন। আমাকে ভুল ভেবে নিজেকে সঠিক ভেবে গাছের উপর উঠতে যাস না আমি কিন্তু গাছের গোড়া কেটে দিতে পারি। আমাকে বোঝার জন্য এখন থেকে অংক করতে শেখ... ভুলে যাস না ৩ আর ৩ ছয় হবে এমনটা কিন্তু না। কখনো কখনো ৩ আর ৩ নয় ও হয়। অদ্ভুত এই জগতে একটু অদ্ভুত না হলে জীবনটা অদেখায়  থেকে যায়...☺️
জীবনটা হচ্ছে একটা সাদা কাগজ। মাঝে মাঝে রঙ দিয়ে সাজানো হয়ে থাকে মাত্র...কিন্তু দিন শেষে দেখা যায় সাদা কাগজটাতে একসময় ধূলো জমে গেছে আর শেষ হয়ে গেছে সাদা কাগজের আসল রূপ। ক্ষনিকের এই জীবনে কি অদ্ভুত পরিবর্তন কখনো হাসি কখনোই বা কান্না। এই অদ্ভুত জীবনের রূপরেখা বড় অদ্ভুত কখনোই বোঝার উপায় থাকে না সামনের পথটা কেমন... জীবনের এই অংক কষতে গিয়ে অদ্ভুত একটা রেজাল্ট পেয়েছিলাম।যার ফলাফল ছিলো শুধু শূন্য। এই শূন্য নামের শব্দটা পেতে কতো না ঝড় পেরিয়ে এসেছিলাম। আপসোস শূন্য ফলাফলের মালিক আমি হয়ে গেলাম....🙂
যখন খুব বেশি একলা লাগে, নিজের প্রতি যখন অনীহা চলে আসে কিংবা অপার্থিব কোন স্বপ্ন অপূরণের আক্ষেপ আমাকে ঘুণে ধরা কাঠের মতো ধীরে ধীরে শেষ করে ফেলে তখন আমি লিখতে চেষ্টা করি... কিন্তু আমার লেখা হয়ে ওঠে না.. শব্দ সংকটে হাহাকার করতে থাকে আমার আঙ্গুল গুলো। কী-বোর্ডের বাটন গুলো আমাকে ধীক্কার জানায়, আর আমি অসহায় দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকি। কাক ডাকা ভোরে, শিশির ভেজা সকালে, শত ব্যস্ততায় কাজের ফাঁকে কিংবা কোন ঘর্মাক্ত দুপুরে অথবা হঠাৎ বৃষ্টিতে যখন তার কথা মনে পড়ে তখন ইচ্ছে করে লিখে ফেলি হাজার পৃষ্টার একটা উপন্যাস কিংবা কয়েক লাইনের ছোট্ট একটা কবিতা... শব্দ বিন্যাস করতে গিয়ে শরীর হয় ঘামে ভিজে স্যাঁতস্যাঁতে... অস্ত যাওয়ার নাম করে যখন সূর্যকে গ্রাস করে ফেলে সমুদ্র...কিংবা পাহাড়ের বুক চিরে যখন কলকল ধ্বনিতে ঝর্ণার প্রবাহিত ধারা অবলোকন করি তখনও আমার খুব ইচ্ছে করে সেইসব বর্ণনা সুনিপুণ ভাবে লেখার মাধ্যমে তুলে ধরতে। তখনও আমি লিখতে পারি না, গ্যাস বেলুনের মতো শব্দ যুগল উড়তে থাকে মস্তিষ্কে। লাটাই বিহীন ঘুড়ির মতো উড়তে থাকে আর আমাকে উপহাস করে.. জ্যোৎস্না নামা রাতের আকাশে চাঁদটা অসম্ভব সুন্দর দেখায়, ঘন কুয়াশায় চ...
আদর্শ মানুষ কে কেউ পছন্দ করেনা..। আদর্শ মানুষ ডিসটিল্ড ওয়াটারের মতো- স্বাদহীন। সমাজ পছন্দ করে অনাদর্শ মানুষকে। যারা ডিসটিল্ড ওয়াটার নয়- কোকা কোলা ও  পেপসির মত মিষ্টি কিন্তু ঝাঁঝালো...🙂
"সব চাষাই আশায় বাঁচে। তাই মনে হয় একদিন যুদ্ধ থেমে যাবে, ডিলানের গান বাজবে সীমান্তে সীমান্তে, রাইফেল লোড করা ভুলে যাবে পুলিশ, সমস্ত শিশুর দুধের গন্ধে ঘুম ভাঙবে, শরনার্থী শব্দটি তুলে নেবেন ডিকশনারিওয়ালারা,কফিকাপ হাতে চুমু খাবে প্রেমিক, ধর্মের পাহারা তুলে ফুলের চাষ হবে মন্দিরে-মসজিদে-গির্জায়, আর সেইসঙ্গে হয়তো সুদিন আসবে আমার‌ও।এই সব কিছুতেই তো আমি। আমাকে ছাড়া কি আনন্দযজ্ঞ সম্পূর্ণ হয় কখনো?"