Posts

Showing posts from February, 2020

Speed reading hacks

Image
বই পড়ার গতি বাড়াও ৬ টি চমৎকার কৌশলে বইকে বলা হয় মানুষের সর্বোত্তম বন্ধু। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে এখনকার এ সময়ে মানুষের বই পড়ার আগ্রহ ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে। বই পড়ার গতি নিয়ে আমাদের অনেকের মাঝেই বেশ হতাশা কাজ করে। বই পড়ার প্রতি আগ্রহ কমে যাওয়ার পেছনে এই বই পড়ার ক্ষীণ গতিও হতে পারে একটি কারণ। কিন্তু একটু কুশলী হওয়া গেলেই কিন্তু বহুগুণে বাড়িয়ে ফেলা যায় আমাদের বই পড়ার গতিকে। চলো শিখে নেওয়া যাক ৬টি এমন কৌশল যা আমাদেরকে দ্রুত পড়তে অনেকখানি সাহায্য করবে। ১) শব্দ করে নয় পড়তে হবে মনে মনে: জোরে জোরে শব্দ করে পড়লে পড়া মনে থাকে, এটা আমাদের অনেকেরই ধারণা। কিছু কিছু ক্ষেত্রে এটা সত্যি হলেও জোরে জোরে শব্দ করে পড়া আমাদের পড়ার গতি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে প্রধান অন্তরায়। আমি আমার নিজের যাচাই করা অভিজ্ঞতা থেকে বলি, আমি যখন জোরে জোরে পড়ি তখন মিনিটে ১৩৪ টা শব্দ পড়তে পারি। অথচ যখন মনে মনে পড়ি তখন ওই এক মিনিটে পড়ে ফেলা শব্দের সংখ্যা এক লাফে বেড়ে ২১৩ তে গিয়ে দাঁড়ায়। আর তাই এটা নিশ্চিতভাবে বলে দেওয়া যায় যে, জোরে জোরে পড়ার চাইতে মনে মনে পড়লে বই পড়ার গতি বেড়ে যাবে অনেকাংশে। বই পড়ার গতি বাড়াতে চাইলে এখন থ...
Image
লোকের কথাকে কানে না তোলার বুদ্ধি! লোকে আমাদের আজ পর্যন্ত কী কী বলেছে সেটার হিসাব তো পুরো 'লোকে কী বলবে?'- বই জুড়ে আমরা পেয়েই গেছি। এবার অন্যরকম এক বাক্স তৈরির আইডিয়া দিতে চাই। এটা হলো আপনার পাওয়ারব্যাংক। পাওয়ারব্যাংক এর মতোই যখন আপনার নিজেকে রিচার্জ করার দরকার হবে তখনি এই পাওয়ারব্যাংক আপনাকে রিচার্জ করে দিবে। এটা তৈরী করাও খুব সহজ। একটা ওয়াদা করেন যে আইডিয়াটা পছন্দ হলে বইটা পড়া শেষ করেই আপনার নিজের পাওয়ারব্যাংকটা বানিয়ে ফেলবেন। আগের পৃষ্ঠায় বলা কথাগুলো প্রায়ই আমাদের শুনতে হয় আর সেটাতে আমাদের মুষড়ে পড়াই স্বাভাবিক। কিন্তু একবার চিন্তা করে দেখেন তো এই জীবনে আপনি কতবার এমন কিছু করে ফেলেছেন যেটা হয়তো নিজেই কল্পনা করতে পারেননি, কতবার আশেপাশের মানুষকে নিজের প্রাপ্তি দ্বারা চমকে দিয়েছেন, কতবার নিজের ইচ্ছাগুলোকে পূরণ করেছেন এবং অবাক করা কিছু করেছেন। এই অতীতগুলো একটা একটা করে ছোট কাগজে লিখে লিখে ভাঁজ করে একটি বাক্সে রেখে দেন আর যখন এ লোকের বলা কোথায় খারাপ অনুভব করবেন তখনি ওই বাক্স থেকে একটা একটা করে কাগজ তুলবেন আর পড়ে দেখবেন কেমন লাগে। আর হ্যাঁ, ওই বাক্সের গায়ে অবশ্যই পাওয়ারব্যাং...
১৭ টি চমৎকার কাজ যা তোমাকে করে তুলবে ব্যতিক্রম! ভালো মানুষ কিংবা মানুষের মতো মানুষ হওয়ার প্রত্যাশা নিয়েই আমরা বেড়ে উঠি। কিন্তু, দিনশেষে প্রকৃত ভালো মানুষ হয়ে ওঠা কি হয় শেষ পর্যন্ত? আজ তোমাদের সাথে শেয়ার করবো এমন কিছু পরামর্শ যা তোমাকে ভালো মানুষ হয়ে ওঠার পথে আরো একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে। ফিডব্যাক দেওয়া হোক বার্গারে -  আমরা বাঙ্গালীরা এখনও সমালোচনা করতে ঠিকভাবে শিখে উঠতে পারিনি। আমাদের কাছে সমালোচনা মানেই নেতিবাচকতা আর গালিগালাজ। কাউকে যখন কোনো কাজের ফিডব্যাক দিতে বলা হয় তখনও আমরা এই নেতিবাচক স্বভাব থেকে বেরিয়ে আসতে পারি না। গালি দেওয়া, নেতিবাচক মন্তব্য করা পৃথিবীর সবচেয়ে সহজ কাজগুলোর একটি। মিনিটের মধ্যে ১০-২০ টা গালি শিখে ফেলা যায়। মনে রেখো, গালি দেওয়া কিংবা খারাপ কথা বলায় কোনো বীরত্ব নেই। গঠনমূলক সমালোচনা করতে শেখো। ফিডব্যাক দেওয়ার সময় প্রথমে ভালো কথা বলো, উৎসাহ দাও, প্রশংসা করো। এরপর ফিডব্যাক আর সাজেশন দাও। তারপর আবারো ভালো কথা বলো! ফিডব্যাক দেওয়ার এই পদ্ধতির নামই হলো, “ফিডব্যাক বার্গার”! বাবা-মায়ের কথা শোনো মনোযোগ দিয়ে -  অতিব্যস্ত যুগের মহাব্যস্ত প্রজন্ম আমরা। সারাক্ষণ...
ইংরেজি: ভাষা নাকি বিষয়? ইংরেজি হলো একটি ভাষা। আর ভাষার কাজ হলো কমিউনিকেট করা। অথচ আমরা ইংরেজিকে ব্যবহার করি একটি বিষয় হিসেবে। এবং আমাদের লক্ষ্য হলো এ প্লাস পাওয়া। আর এজন্যে আমরা অনেক অনেক গ্রামারের নিয়ম আর উদাহরণ পড়ি। এবং হয়তো শেষ পর্যন্ত এ প্লাসও পাই। কিন্তু আমরা জানি না এই গ্রামারগুলোর বাস্তবিক প্রয়োগ কেমন হয়। কোনটার সাথে কোনটা কীভাবে সম্পর্কযুক্ত। ইংরেজির প্রয়োজন কিংবা গুরুত্ব কি মোটে এইটুকুই? এ প্লাস পেলেই হয়ে গেলো? আমি আমার জীবনে বহু ইভেন্টে গিয়ে স্টুডেন্টদেরকে গিয়ে একটা খুবই সাধারণ প্রশ্ন করেছি। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত খুব কম সংখ্যকই সেই প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিয়েছিল। Article, Parts of Speech তো সেই শৈশবে পড়ে আসা ব্যাকরণ। আমার প্রশ্ন ছিলো, Article কোন Parts of Speech? এই প্রশ্ন শোনামাত্র বেশিরভাগই বেশ বিভ্রান্ত হয়ে যায়। দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে যায়। গুটিকয়েক মাত্র সঠিক উত্তরটা দিতে পারে। আচ্ছা, চিন্তা করে দেখুন তো! আমি যদি এখন বলি, I have a book. অর্থাৎ আমার একটি বই আছে। এখানে, "book" এর আগে "a" আছে। এই "a" হলো Article! আর এখানে "a" আমার কথা ...
উপস্থাপক হতে চান? বর্তমান সময়ে পেশা হিসেবে উপস্থাপনা অর্থাৎ অনুষ্ঠান সঞ্চালনার জনপ্রিয়তা বাড়ছে প্রতিনিয়ত। আর এই উপস্থাপনা আর সঞ্চালনা আমারও প্রিয় কাজগুলোর একটা। তা কীভাবে একজন আত্মবিশ্বাসী উপস্থাপক হয়ে ওঠা যায়? আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে আপনাদের জন্যে রইলো কিছু পরামর্শ! ১) কিউ কার্ড এডিট করে নিন: বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ইভেন্টের কিউ কার্ডের লেখক আর বক্তা ভিন্ন হয়ে থাকেন। লেখকের লেখার ধরণ আর বক্তার বলার ধরণে অমিল থাকাটাও তাই অস্বাভাবিক নয়। কিউ কার্ডের স্ক্রিপ্ট প্রয়োজনমতো এডিট করে নিন। স্ক্রিপ্টে লেখা কথা বলুন নিজের মতো করে। এতে করে আপনাকে আরো বেশি আত্মবিশ্বাসী মনে হবে। ২) মাইক্রোফোন টেস্টিং: একেক একমের ইভেন্টে একেক ধরণের মাইক্রোফোন থাকে। একেকটার কাজ আবার একেক রকমের। মাইকগুলোকে নিজের সাথে অ্যাডজাস্ট করে নিন যাতে কথা ঠিকমতো শোনা যায়। মঞ্চে ওঠার আগেই মাইক্রোফোন টেস্টিং সেরে ফেলুন। কথা বলার সময় মাইক্রোফোনটা যেন সঠিক অবস্থানে স্থির রাখা হয় সে দিকে নজর রাখতে হবে! ৩) অলসতা দূরীকরণ: লাঞ্চ বা যেকোনো স্ন্যাকস ব্রেকের পরপর দর্শকদের মধ্যে ঝিমুনি চলে আসে। তাই, খাওয়াদাওয়া আর ব্রেকের পর দর্শকদের ...
পাবলিক স্পিকিং নিয়ে ভয়? যত যাই বলা হোক না কেন, পাবলিক স্পিকিং আর প্রেজেন্টেশন নিয়ে আমাদের ভয়টা বেশ পুরোনো। দু’টো কাজেই অনেক মিল থাকলেও একটুখানি পার্থক্যও আছে। প্রেজেন্টেশন ব্যাপারটা এখনও ক্লাসরুম, মিটিং রুমের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। অন্যদিকে এই প্রেজেন্টেশন জিনিসটাই যখন বড় কোনো কনফারেন্স রুম বা মিলনায়তনের মঞ্চে দাঁড়িয়ে অনেক মানুষের সামনে দিতে হয় তখন সেটা আবার পাবলিক স্পিকিং হয়ে যায়। পুঁথিগত সংজ্ঞার দিকে না হয় আর না গেলাম। চলুন জেনে নেই কিছু পরামর্শ যেগুলো কি না আপনাকে একজন চমৎকার বক্তা হিসেবে তুলে ধরতে সাহায্য করবে। কীভাবে শুরু করবেন: বক্তব্যের শুরুতে দর্শকের মনোযোগ আর বক্তার ভয় দুটোই থাকে একেবারে চূড়ায়। তাই এই ব্যাপারটা কাজে লাগাতে হবে। এই প্রথম ১০-১৫ সেকেন্ডে দর্শক সিদ্ধান্ত নিয়ে নেবে যে তাঁরা আপনার পরবর্তী কথাগুলো শুনবে নাকি না। তাই শুরুটা এমনভাবে করতে হবে যাতে করে দর্শকের আগ্রহটা জন্মানোর আগেই নষ্ট না হয়ে যায়। গল্প, ফ্যাক্ট, প্রশ্ন, মজার কোনো প্রাসঙ্গিক তথ্য এর যে কোনো কিছু দিয়ে হতে পারে আপনার বক্তব্যের শুরু। বরফ ভাঙ্গার খেলা: আমরা সাধারণত কোনো ইভেন্টে গেলে পরিচিত মানুষদের মধ্যেই ...