ইংরেজি: ভাষা নাকি বিষয়?
ইংরেজি হলো একটি ভাষা। আর ভাষার কাজ হলো কমিউনিকেট করা। অথচ আমরা ইংরেজিকে ব্যবহার করি একটি বিষয় হিসেবে। এবং আমাদের লক্ষ্য হলো এ প্লাস পাওয়া। আর এজন্যে আমরা অনেক অনেক গ্রামারের নিয়ম আর উদাহরণ পড়ি। এবং হয়তো শেষ পর্যন্ত এ প্লাসও পাই। কিন্তু আমরা জানি না এই গ্রামারগুলোর বাস্তবিক প্রয়োগ কেমন হয়। কোনটার সাথে কোনটা কীভাবে সম্পর্কযুক্ত।
ইংরেজির প্রয়োজন কিংবা গুরুত্ব কি মোটে এইটুকুই? এ প্লাস পেলেই হয়ে গেলো?
আমি আমার জীবনে বহু ইভেন্টে গিয়ে স্টুডেন্টদেরকে গিয়ে একটা খুবই সাধারণ প্রশ্ন করেছি। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত খুব কম সংখ্যকই সেই প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিয়েছিল।
Article, Parts of Speech তো সেই শৈশবে পড়ে আসা ব্যাকরণ। আমার প্রশ্ন ছিলো, Article কোন Parts of Speech?
এই প্রশ্ন শোনামাত্র বেশিরভাগই বেশ বিভ্রান্ত হয়ে যায়। দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে যায়। গুটিকয়েক মাত্র সঠিক উত্তরটা দিতে পারে।
আচ্ছা, চিন্তা করে দেখুন তো! আমি যদি এখন বলি,
I have a book.
অর্থাৎ আমার একটি বই আছে। এখানে, "book" এর আগে "a" আছে। এই "a" হলো Article! আর এখানে "a" আমার কথা কিংবা বক্তব্যের অংশ। তার মানে Article ও Parts of Speech! Article কোন Parts of Speech? Article হলো Adjective.
কীভাবে? সেটাও বলছি।
Adjective কী? Adjective হলো যেটা Noun বা Pronoun এর দোষ-গুণ, অবস্থা, সংখ্যা, পরিমাণ নির্দেশ করে! A book, An ant, The man এখানকার Article গুলো প্রতিটা Noun এর সংখ্যা নির্দেশ করছে। তাই Article হলো Adjective.
এই যে আমরা ছোটবেলায় Article, Parts of Speech এত বার পড়েছি, কিন্তু এই দুটোর মাঝেও যে সম্পর্ক আছে সেটা কিন্তু আমরা জানি না।
Tag Question এ আমরা পড়েছি,
He is a boy, isn't he?
কিন্তু কেন হয় এরকম সেটা আমাদের অজানা।
আসল কথা হলো, ইংরেজি নামের ভাষাটাকে বিষয় হিসেবে ব্যবহার করতে গিয়ে আমরা ভাষার আসল উদ্দেশ্যটাকেই গুলিয়ে ফেলেছি। ইংরেজিতে কথা বলার প্রসঙ্গ এলেই আমাদের ঘেমেনেয়ে বিশ্রী অবস্থা হয়। আমরা পালিয়ে বাঁচতে উল্টো দিকে দৌড় দেই।
যেহেতু, আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার একদম শুরু থেকেই ইংরেজিকে একটা ভাষা হিসেবে আমাদের কাছে উপস্থাপন করা হয়। তাই ভাষা ইংরেজিকে আত্মস্থ করবার দায়িত্বটা আমাদের নিজেরই। কারণ আপনি যদি এই একবিংশ শতাব্দীতে এসে ইংরেজিতে কথা বলতে অস্বস্তিতে ভোগেন তাহলে প্রতিযোগীতার দৌড়ে আপনাকে পিছিয়ে পড়তে হবে অনেকের চেয়ে। চাকরি পাবার আগে সিভি লিখতে গিয়ে, ইন্টারভিউ দিতে গিয়ে চাকরি পাওয়া আটকে যাবে। চাকরি যদি পেয়েও যান, প্রেজেন্টেশন দিতে গিয়ে, ইমেইল করতে গিয়ে পদে পদে আপনাকে বিব্রত হতে হবে। ক্লায়েন্ট মিটিংয়ে গিয়ে ইংরেজিতে কথা বলতে না পারার কারণে প্রমোশনটা ঝুলে যাবে। সবখানে অপদস্ত হতে হবে। তাই, শিক্ষাব্যবস্থাকে আসামী না করে এবার মাঠে নামুন।
কী করা যেতে পারে?
৪-৫ জন বন্ধু মিলে একটা গ্রুপ বানাও। হোক সেটা আড্ডার গ্রুপ, সমস্যা নেই। আড্ডা দাও তবে ইংরেজিতে। নিয়ম করে প্রতিদিন ১০-১৫ মিনিট করে ইংরেজিতে গল্প করো। এতে করে দেখবে তোমার ইংরেজিতে কথা বলার জড়তা কমে যাবে, কথা বলার দ্রুততা বেড়ে যাবে। কয়েক মাস শেষে নিজের পরিবর্তন দেখে নিজেই চমকে যাবে।
হ্যাঁ, তোমার মনে হতেই পারে যে বন্ধুরা পচাবে। কিন্তু তুমি তো তাদের সাথেই গ্রুপটা বানাবে যারা নিজেরাও তোমার মতো শিখতে আগ্রহী। তাই না? তখন তোমরা নিজেরা নিজেরা ভুল করলেও কেউ কাউকে পচাবে না। আর এরপর যখন তোমাদের ইম্প্রুভমেন্ট অন্যদের চোখেও পড়বে তখন অন্য যে বন্ধুটা আপনাকে প্রথম ব্যঙ্গ করেছিলো, সে ও চাইবে আপনাদের দলে ভিড়তে। এভাবে দেখবেন আপনাদের গ্রুপটা বড় হচ্ছে।
আরেকটা কাজ করতে পারেন কিন্তু। যে ৪-৫ জন মিলে আড্ডার গ্রুপ বানিয়েছিলেন, তারাই একটা চ্যাটিং এর গ্রুপ খুলে ইংরেজিতে চ্যাটিং শুরু করে দিন না। দেখবেন ইংরেজি লেখার স্কিলটাও বেশ তাড়াতাড়ি ভালো হচ্ছে। পরীক্ষা তো দেই একদিন। চ্যাটিং করি সারাদিন। তাহলে কোনটা বেশি কাজে দেবে? বাংলিশে চ্যাট করে আপনারও কোনো লাভ নেই। আপনার বন্ধুদেরও। তাই ইংলিশে চ্যাট করে যদি নিজের কমিউনিকেশন স্কিলটা ভালো করা যায় তাহলে কেন নয়?
আর হ্যাঁ, এই চর্চাগুলো নিয়মিত করতে হবে কিন্তু। তা না হলে ফলাফল পাবেন না। তো আজ থেকেই শুরু করে দিন। দেখবেন সম্ভাবনাগুলো ঘুরে বেড়াবে আপনার আশেপাশেই।
ইংরেজি হলো একটি ভাষা। আর ভাষার কাজ হলো কমিউনিকেট করা। অথচ আমরা ইংরেজিকে ব্যবহার করি একটি বিষয় হিসেবে। এবং আমাদের লক্ষ্য হলো এ প্লাস পাওয়া। আর এজন্যে আমরা অনেক অনেক গ্রামারের নিয়ম আর উদাহরণ পড়ি। এবং হয়তো শেষ পর্যন্ত এ প্লাসও পাই। কিন্তু আমরা জানি না এই গ্রামারগুলোর বাস্তবিক প্রয়োগ কেমন হয়। কোনটার সাথে কোনটা কীভাবে সম্পর্কযুক্ত।
ইংরেজির প্রয়োজন কিংবা গুরুত্ব কি মোটে এইটুকুই? এ প্লাস পেলেই হয়ে গেলো?
আমি আমার জীবনে বহু ইভেন্টে গিয়ে স্টুডেন্টদেরকে গিয়ে একটা খুবই সাধারণ প্রশ্ন করেছি। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত খুব কম সংখ্যকই সেই প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিয়েছিল।
Article, Parts of Speech তো সেই শৈশবে পড়ে আসা ব্যাকরণ। আমার প্রশ্ন ছিলো, Article কোন Parts of Speech?
এই প্রশ্ন শোনামাত্র বেশিরভাগই বেশ বিভ্রান্ত হয়ে যায়। দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে যায়। গুটিকয়েক মাত্র সঠিক উত্তরটা দিতে পারে।
আচ্ছা, চিন্তা করে দেখুন তো! আমি যদি এখন বলি,
I have a book.
অর্থাৎ আমার একটি বই আছে। এখানে, "book" এর আগে "a" আছে। এই "a" হলো Article! আর এখানে "a" আমার কথা কিংবা বক্তব্যের অংশ। তার মানে Article ও Parts of Speech! Article কোন Parts of Speech? Article হলো Adjective.
কীভাবে? সেটাও বলছি।
Adjective কী? Adjective হলো যেটা Noun বা Pronoun এর দোষ-গুণ, অবস্থা, সংখ্যা, পরিমাণ নির্দেশ করে! A book, An ant, The man এখানকার Article গুলো প্রতিটা Noun এর সংখ্যা নির্দেশ করছে। তাই Article হলো Adjective.
এই যে আমরা ছোটবেলায় Article, Parts of Speech এত বার পড়েছি, কিন্তু এই দুটোর মাঝেও যে সম্পর্ক আছে সেটা কিন্তু আমরা জানি না।
Tag Question এ আমরা পড়েছি,
He is a boy, isn't he?
কিন্তু কেন হয় এরকম সেটা আমাদের অজানা।
আসল কথা হলো, ইংরেজি নামের ভাষাটাকে বিষয় হিসেবে ব্যবহার করতে গিয়ে আমরা ভাষার আসল উদ্দেশ্যটাকেই গুলিয়ে ফেলেছি। ইংরেজিতে কথা বলার প্রসঙ্গ এলেই আমাদের ঘেমেনেয়ে বিশ্রী অবস্থা হয়। আমরা পালিয়ে বাঁচতে উল্টো দিকে দৌড় দেই।
যেহেতু, আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার একদম শুরু থেকেই ইংরেজিকে একটা ভাষা হিসেবে আমাদের কাছে উপস্থাপন করা হয়। তাই ভাষা ইংরেজিকে আত্মস্থ করবার দায়িত্বটা আমাদের নিজেরই। কারণ আপনি যদি এই একবিংশ শতাব্দীতে এসে ইংরেজিতে কথা বলতে অস্বস্তিতে ভোগেন তাহলে প্রতিযোগীতার দৌড়ে আপনাকে পিছিয়ে পড়তে হবে অনেকের চেয়ে। চাকরি পাবার আগে সিভি লিখতে গিয়ে, ইন্টারভিউ দিতে গিয়ে চাকরি পাওয়া আটকে যাবে। চাকরি যদি পেয়েও যান, প্রেজেন্টেশন দিতে গিয়ে, ইমেইল করতে গিয়ে পদে পদে আপনাকে বিব্রত হতে হবে। ক্লায়েন্ট মিটিংয়ে গিয়ে ইংরেজিতে কথা বলতে না পারার কারণে প্রমোশনটা ঝুলে যাবে। সবখানে অপদস্ত হতে হবে। তাই, শিক্ষাব্যবস্থাকে আসামী না করে এবার মাঠে নামুন।
কী করা যেতে পারে?
৪-৫ জন বন্ধু মিলে একটা গ্রুপ বানাও। হোক সেটা আড্ডার গ্রুপ, সমস্যা নেই। আড্ডা দাও তবে ইংরেজিতে। নিয়ম করে প্রতিদিন ১০-১৫ মিনিট করে ইংরেজিতে গল্প করো। এতে করে দেখবে তোমার ইংরেজিতে কথা বলার জড়তা কমে যাবে, কথা বলার দ্রুততা বেড়ে যাবে। কয়েক মাস শেষে নিজের পরিবর্তন দেখে নিজেই চমকে যাবে।
হ্যাঁ, তোমার মনে হতেই পারে যে বন্ধুরা পচাবে। কিন্তু তুমি তো তাদের সাথেই গ্রুপটা বানাবে যারা নিজেরাও তোমার মতো শিখতে আগ্রহী। তাই না? তখন তোমরা নিজেরা নিজেরা ভুল করলেও কেউ কাউকে পচাবে না। আর এরপর যখন তোমাদের ইম্প্রুভমেন্ট অন্যদের চোখেও পড়বে তখন অন্য যে বন্ধুটা আপনাকে প্রথম ব্যঙ্গ করেছিলো, সে ও চাইবে আপনাদের দলে ভিড়তে। এভাবে দেখবেন আপনাদের গ্রুপটা বড় হচ্ছে।
আরেকটা কাজ করতে পারেন কিন্তু। যে ৪-৫ জন মিলে আড্ডার গ্রুপ বানিয়েছিলেন, তারাই একটা চ্যাটিং এর গ্রুপ খুলে ইংরেজিতে চ্যাটিং শুরু করে দিন না। দেখবেন ইংরেজি লেখার স্কিলটাও বেশ তাড়াতাড়ি ভালো হচ্ছে। পরীক্ষা তো দেই একদিন। চ্যাটিং করি সারাদিন। তাহলে কোনটা বেশি কাজে দেবে? বাংলিশে চ্যাট করে আপনারও কোনো লাভ নেই। আপনার বন্ধুদেরও। তাই ইংলিশে চ্যাট করে যদি নিজের কমিউনিকেশন স্কিলটা ভালো করা যায় তাহলে কেন নয়?
আর হ্যাঁ, এই চর্চাগুলো নিয়মিত করতে হবে কিন্তু। তা না হলে ফলাফল পাবেন না। তো আজ থেকেই শুরু করে দিন। দেখবেন সম্ভাবনাগুলো ঘুরে বেড়াবে আপনার আশেপাশেই।
Comments
Post a Comment