চায়ের কাপে শেষ চুমুক আর সিগারেটে শেষ টান দেওয়া প্রতিটা ছেলেই একদিন বড় হয়। একসময় রাত জেগে গানের আসর দেওয়া,বন্ধুদের সাথে রাতের বেলা ডাব চুরি করে খাওয়া,কোচিং এ মেয়েদের জ্বালানো ছেলেটাও একদিন বড় হয়।

বাবার পকেট থেকে টাকা চুরি করে সাইবার ক্যাফে গিয়ে ১ ঘন্টা ইন্টারনেট করা, কিছু কিছু করে টাকা জমিয়ে একদিন বন্ধু দের সঙ্গে ঘুরতে যাওয়া, টিউশনির টাকা না দিয়ে প্রেমিকাকে নিয়ে ঘুরতে যাওয়া, বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিয়ে রাত করে ঘরে ফেরা ছেলেগুলোই একদিন অনেক বড় হয়।

বার্সেলোনা নাকি রিয়াল মাদ্রিদ, ভারত নাকি পাকিস্তান খেলায় এই সমীকরণ মিলাতে গিয়ে প্রতিটা ছেলেই থ্রি কোয়াটার প্যান্ট ছেড়ে ফরমাল ড্রেস পড়া শুরু করে...

কাঁধে ব্যাগ ঝুলিয়ে স্কুল কলেজ পার করা ছেলেটা একদিন ইউনিভার্সিটি তে ওঠে। ব্যাগে বই এর সংখ্যা কমে ঠিকই কিন্তু বাড়ে মানসিক চাপ। শুধু একটা খাতা আর কলম নিয়ে কলেজ লাইফ পার করা ছেলেগুলোই একদিন চাকরির জন্য বাজারে নামে।

সেই বাজারে কে বন্ধু, কে কাজিন, কে পাড়ার বড় দাদা, আর কে ছোট ভাই... কেউ কাউকে চেনে না। শার্টের কলারের ঘাম আর পেটের ভুড়ির কোন হিসাব থাকে না তখন...দ্বায়িত্ব নামক শব্দটার পিছনেই তখন সময় পার হয়।

এক সময় ফেসবুকে দিন রাত একাকার করা ছেলেটাও বড় হয়। ফেসবুকে লগইন করা কমে যায়... সেই ছেলেটাই বাবা হয় একদিন।

একদিন প্রতিটা ছেলেই বাবা হয়, হয় স্বামী... এই ভাবেই প্রতিটি ছেলে না জানি তার কত ইচ্ছা গুলোকে স্যাক্রিফাইস করে... কেউ তার হিসাব রাখেনি...😄

Comments

Popular posts from this blog