যখন খুব বেশি একলা লাগে, নিজের প্রতি যখন অনীহা চলে আসে কিংবা অপার্থিব কোন স্বপ্ন অপূরণের আক্ষেপ আমাকে ঘুণে ধরা কাঠের মতো ধীরে ধীরে শেষ করে ফেলে তখন আমি লিখতে চেষ্টা করি... কিন্তু আমার লেখা হয়ে ওঠে না..
শব্দ সংকটে হাহাকার করতে থাকে আমার আঙ্গুল গুলো। কী-বোর্ডের বাটন গুলো আমাকে ধীক্কার জানায়, আর আমি অসহায় দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকি।
কাক ডাকা ভোরে, শিশির ভেজা সকালে, শত ব্যস্ততায় কাজের ফাঁকে কিংবা কোন ঘর্মাক্ত দুপুরে অথবা হঠাৎ বৃষ্টিতে যখন তার কথা মনে পড়ে তখন ইচ্ছে করে লিখে ফেলি হাজার পৃষ্টার একটা উপন্যাস কিংবা কয়েক লাইনের ছোট্ট একটা কবিতা... শব্দ বিন্যাস করতে গিয়ে শরীর হয় ঘামে ভিজে স্যাঁতস্যাঁতে...
অস্ত যাওয়ার নাম করে যখন সূর্যকে গ্রাস করে ফেলে সমুদ্র...কিংবা পাহাড়ের বুক চিরে যখন কলকল ধ্বনিতে ঝর্ণার প্রবাহিত ধারা অবলোকন করি তখনও আমার খুব ইচ্ছে করে সেইসব বর্ণনা সুনিপুণ ভাবে লেখার মাধ্যমে তুলে ধরতে। তখনও আমি লিখতে পারি না, গ্যাস বেলুনের মতো শব্দ যুগল উড়তে থাকে মস্তিষ্কে। লাটাই বিহীন ঘুড়ির মতো উড়তে থাকে আর আমাকে উপহাস করে..
জ্যোৎস্না নামা রাতের আকাশে চাঁদটা অসম্ভব সুন্দর দেখায়, ঘন কুয়াশায় চারপাশ হয়ে পড়ে ধূসর। ঝিঁঝিঁপোকার ডাকে সরব থাকে, জোনাকিপোকার আলোয় অনুভবে আবিষ্কার করি তোমার স্পর্শ।
বাস্তবতায় না হোক কল্পনায় তোমার বিচরণ মেনে নিতে আপত্তি নেই। অশ্লীল অভিলাসে ধূর্ত চোখ নিবিড় আলিঙ্গনে লজ্জ্বার মাথা কাটে।
সেই মাখো মাখো মূহুর্তটাকে স্মৃতি হিসেবে আবদ্ধ করতে বসে পড়ি একটা গল্প লিখবো বলে , কিন্তু শব্দ চয়নে লেগে যায় মারপ্যাঁচ। অস্থিরতায় কেটে যায় সারারাত। ঝিম ধরা লাটিমের মতো মস্তিষ্ক হয়ে যায় স্থির, শ্যাওলা জমে যায় আমার চিন্তা চেতনায়।
লিখতে পারি না, লিখবো লিখবো বলে তাই আর লেখা হয়ে ওঠে না...।
শব্দ সংকটে হাহাকার করতে থাকে আমার আঙ্গুল গুলো। কী-বোর্ডের বাটন গুলো আমাকে ধীক্কার জানায়, আর আমি অসহায় দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকি।
কাক ডাকা ভোরে, শিশির ভেজা সকালে, শত ব্যস্ততায় কাজের ফাঁকে কিংবা কোন ঘর্মাক্ত দুপুরে অথবা হঠাৎ বৃষ্টিতে যখন তার কথা মনে পড়ে তখন ইচ্ছে করে লিখে ফেলি হাজার পৃষ্টার একটা উপন্যাস কিংবা কয়েক লাইনের ছোট্ট একটা কবিতা... শব্দ বিন্যাস করতে গিয়ে শরীর হয় ঘামে ভিজে স্যাঁতস্যাঁতে...
অস্ত যাওয়ার নাম করে যখন সূর্যকে গ্রাস করে ফেলে সমুদ্র...কিংবা পাহাড়ের বুক চিরে যখন কলকল ধ্বনিতে ঝর্ণার প্রবাহিত ধারা অবলোকন করি তখনও আমার খুব ইচ্ছে করে সেইসব বর্ণনা সুনিপুণ ভাবে লেখার মাধ্যমে তুলে ধরতে। তখনও আমি লিখতে পারি না, গ্যাস বেলুনের মতো শব্দ যুগল উড়তে থাকে মস্তিষ্কে। লাটাই বিহীন ঘুড়ির মতো উড়তে থাকে আর আমাকে উপহাস করে..
জ্যোৎস্না নামা রাতের আকাশে চাঁদটা অসম্ভব সুন্দর দেখায়, ঘন কুয়াশায় চারপাশ হয়ে পড়ে ধূসর। ঝিঁঝিঁপোকার ডাকে সরব থাকে, জোনাকিপোকার আলোয় অনুভবে আবিষ্কার করি তোমার স্পর্শ।
বাস্তবতায় না হোক কল্পনায় তোমার বিচরণ মেনে নিতে আপত্তি নেই। অশ্লীল অভিলাসে ধূর্ত চোখ নিবিড় আলিঙ্গনে লজ্জ্বার মাথা কাটে।
সেই মাখো মাখো মূহুর্তটাকে স্মৃতি হিসেবে আবদ্ধ করতে বসে পড়ি একটা গল্প লিখবো বলে , কিন্তু শব্দ চয়নে লেগে যায় মারপ্যাঁচ। অস্থিরতায় কেটে যায় সারারাত। ঝিম ধরা লাটিমের মতো মস্তিষ্ক হয়ে যায় স্থির, শ্যাওলা জমে যায় আমার চিন্তা চেতনায়।
লিখতে পারি না, লিখবো লিখবো বলে তাই আর লেখা হয়ে ওঠে না...।
Comments
Post a Comment